July 17, 2019, 4:42 am

বাংলাদেশের সাহিত্যিকদের পরিচিতি : কবিতা

অনীক মাহমুদ : প্রেম বড় স্বৈরতন্ত্রী (১৯৯৫), একলব্যের ভবিতব্য (১৯৯৭), আসন্ন বিরহ বিষণ্ন বিদায় (২০০৪), এইসব ভয়াবহ আরতি (২০০৪), দীর্ঘদংশন নীলজ্বালা (২০০৭), বৃহন্নলা ছিন্ন করো ছদ্মবেশ (২০০৭)
অরুণাভ সরকার : নগরে বউল (১৯৭৬), কেউ কিছু জানে না (১৯৮০), নীরারা ফেরে না (২০০৬)
অসীম কুমার দাস : ঝঞ্ঝা ও পুনরুত্থান (১৯৯২)
অসীম সাহা : পূর্ব পৃথিবীর অস্থির জ্যোৎস্নায় (১৯৮২), ভালোবাসার কবিতা (১৯৮৩), কালো পালকের নীচে (১৯৮৬), পুনরুদ্ধার (১৯৯২), উদ্বাস্তু (১৯৯৪), প্রেমের কবিতা (১৯৯৫), মধ্যরাতের প্রতিধ্বনি (২০০১), অন্ধকারে মৃত্যুর উৎসব (২০০৬), মুহূর্তের কবিতা (২০০৬)
আতাউর রহমান : দুই ঋতু (১৯৫৬), একদিন প্রতিদিন (১৯৬৫), নিষাদনগরে আছি (১৯৭৭), ভালোবাসা চিরশত্ররু (১৯৮১), ইদানীং রঙ্গমঞ্চ (১৯৯২), ভালোবাসা এবং তারপর (১৯৯৩), সারাটা জীবন ধ’রে (১৯৯৪)
আনোয়ার পাশা : নদী নিঃশোষিত হলে
আবদুর রশীদ খান : নক্ষত্র : মানুষ : মন (১৩৫৮), বন্দী মুহূর্ত (১৯৫৯) মহুয়া (১৯৬৬), বিম্বিত প্রহর (১৯৬৮), নিরন্তর স্বর (১৩৭৬) অন্বিষ্ট স্বদেশ (১৯৭০)
আবদুল হাই শিকদার : আশি লক্ষ ভোর (১৯৮৯), আগুন আমার ভাই (১৯৯১), রেলিঙ ধরা নদী (১৯৯২), যুগলবন্দী ভূগোলময় (১৯৯২), মানব বিজয় কাব্য (১৯৯২), এই বধ্যভূমি একদিন স্বদেশ ছিলো (১৯৯৮)
আবদুল কাদির : দিলরুবা (১৯৩৩), উত্তর বসন্ত (১৯৫৭), কাব্যমালঞ্চ
আবদুল গনি হাজারী : সূর্যের সিঁড়ি (১৯৬৫), সামান্য ধন (১৯৫৯), জাগ্রত প্রদীপে (১৯৭০)
আবদুল মান্নান সৈয়দ : জন্মান্ধ কবিতাগুচ্ছ (১৯৬৭), ও সংবেদন ও জলতরঙ্গ (১৯৭৪), জ্যোৎস্না-রৌদ্রের চিকিৎসা (১৯৬৯), মাতাল মানচিত্র (১৯৭০), কবিতা কোম্পানী প্রাইভেট লিমিটেড (১৯৮২), পরাবাস্তব কবিতা (১৯৮২), পার্কস্ট্রিটে এক রাত্রি (১৯৮৩), মাছ সিরিজ (১৯৮৪), পঞ্চশর (১৯৮৭), শ্রেষ্ঠকবিতা (১৯৮৭), আমার সনেট (১৯৯০), সকল প্রশংসা তাঁর (১৯৯৩), নীরবতা গভীরতা দুই বোন কথা বলে (১৯৯৭)
আ. ন. ম. বজলুর রশীদ : মরুসূর্য (১৯৫৬), শীতে বসন্তে (১৯৬৩), রঙ ও রেখা (১৩৭৫), একটি মরমী সেনা (১৯৭২), এক ঝাঁক পাখি (১৩৭৬), মেহের-নিগার (১৯৬২), মেঘ বেহাগ (১৯৭১)
আবিদ আজাদ : ঘাসের ঘটনা (১৯৭৬), আমার মন কেমন করে (১৯৮০), বনতরুদের মর্ম (১৯৮২), আমি আমার স্বপ্নের আগ্নেয়াস্ত্রগুলি (১৯৮৭), ছন্দের বাড়ি ও অন্যান্য কবিতা (১৯৮৭) তোমার উঠোনে কি বৃষ্টি নামে? রেলগাড়ি থামে? (১৯৮৮) আমার কবিতা (১৯৮৯), খুচরো কবিতা (১৯৯০), আরো বেশি গভীর কুয়াশার দিকে (১৯৯৩), আমার অক্ষমতার গল্প (১৯৯৮)
আবিদ আনোয়ার : প্রতিবিম্বের মমি (১৯৮৫), মরাজোছনায় মধুচন্দ্রিমা (১৯৯২), স্বৈরিণীর ঘরসংসার (১৯৯৭), খড়বিচালির বৃক্ষজীবন (২০০১)
আবু করিম : পল্টনে আবার জনসভা হবে (১৯৮৪), জলের নীচে শুয়ে আছে, ছায়া (১৯৯৩), যখন তুমি ঘরে ফিরবে (১৯৯৩), তিলকের মাটি (১৯৯৩), ঊর তবে ঊর (১৯৯৭), যাত্রা (১৯৯৯), কবিতাসগ্রম (২০০২), বনসাই (২০০৩), মেঘেদের কাজ (২০০৩), আমার আনন্দ (২০০৪)
আবু কায়সার : আমি খুব লাল একটি গাড়িকে (১৯৭২), জাদুঘরে প্রজাপতি (১৯৮৫), জোছনায় মাতাল জেব্রাগুলো (১৯৮৫), লজ্জার দেরাজ (১৯৯৭), নিরুদ্দেশ অক্ষৌহিণী (২০০০), মৃগমেধের হরিণীরা (২০০৫), নভো নৌকার মাঝি (২০০৫)
আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ : আমি কিংবদন্তীর কথা বলছি (১৯৮১), সাতনরী হার (১৯৫৫), কখনো রং কখনো সুর (১৯৭০), কমলের চোখ (১৯৭৪), সহিষ্ণু প্রতীক্ষা (১৯৮২), বৃষ্টি ও সাহসী পুরুষের জন্য প্রার্থনা (১৯৮৩), আমার সকল কথা (১৯৯৩), মসৃণ কৃষ্ণ গোলাপ (২০০২), খাঁচার ভিতর অচিন পাখি
আবু তাহের মজুমদার : এবং দেয়ালের ফ্রেমে (১৯৮৯), ফেরার পথে (১৯৮৯), মানুষ শ্বাপদ হয় (১৯৯০), এই পথে (১৯৯১), কালহান্তরিতা (১৯৯৫), চিঠি দিও (১৯৯৭), নিঃশ্বাসের কাছাকাছি (১৯৯৭)
আবু হাসান শাহরিয়ার : অন্তহীন মায়াবী ভ্রমণ (১৯৮৬), অব্যর্থ আঙুল (১৯৯০), তোমার কাছে যাই না তবে যাবো (১৯৯৬), একলব্যের পুনরুত্থান, নিরন্তরের ষষ্ঠপদী, এ বছর পাখিবন্যা হবে, ফিরে আসে হরপ্পার চাঁদ (২০০১), শ্রেষ্ঠ কবিতা (২০০৩), হাটে গেছে জড়বস্তুবাদ (২০০৩), বালিকাআশ্রম (২০০৫)
আবু হেনা মোস্তফা কামাল : আপন যৌবন বৈরী (১৯৭৪), যেহেতু জন্মান্ধ (১৯৮৪) ও আক্রান্ত গজল (১৯৮৮)
আবুবকর সিদ্দিক : ধবল দুধের স্বরগ্রাম (১৯৬৯), হে লোকসভ্যতা (১৯৮৪), বিনিদ্র কালের ভেলায় (১৯৭৬), বৃষ্টির কথা বলি বীজের কথা বলি (২০০৬), হে লোকসভ্যতা (১৯৮৪), হেমন্তের সোনালতা (১৩৯৫), মানুষ তোমার বিক্ষত দিন (১৯৮৬), কালো কালো মেহনতী পাখি (১৯৯৫), কংকালে অলংকার দিয়ো (১৯৯৬), শ্যামল যাযাবর (১৯৯৮), মানবহাড়ের হিম (২০০১), মনীষাকে ডেকে ডেকে (২০০২), আমার যত রক্ত ফোঁটা (২০০২) নিজস্ব এই মাতৃভাষায় (১৩৯৭)
আবুল হোসেন : নব-বসন্ত (১৯৪০), বিরস সংলাপ (১৯৬৯), হাওয়া তোমার কি দুঃসাহস (১৯৮২), দুঃস্বপ্ন থেকে দুঃস্বপ্নে (১৯৮৫), Selected Poems of Abul Hussain (১৯৮৬), এখনও সময় আছে (১৯৮৬), নির্বাচিত কবিতা (১৯৯৭), রাজ রাজড়া (১৯৯৭), আর কিসের অপেক্ষা (২০০০)
অনুবাদ কবিতা : ইকবালের কবিতা (১৯৫২), আমার জন্মভূমি (১৯৭৮), অন্য ক্ষেতের ফসল (১৯৯০)
আবুল হাসান : রাজা যায় রাজা আসে (১৯৭৩), যে তুমি হরণ করো (১৯৭৪), আমার প্রেম আমার প্রতিনিধি (১৯৭৪), পৃথক পালঙ্ক (১৯৭৫), আবুল হাসানের অগ্রন্থিত কবিতা (১৯৮৫)
আলফ্রেড খোকন : বেঁধে যাই পরস্পর গেঁথে যাই পরস্পর (১৯৯৭), উড়ে যাচ্ছ মেঘ (১৯৯৯), সম্ভাব্য রোদ্দুরে (২০০২), ফাল্গুনের ঘটনাবলী (২০০৬), মধু বৃক্ষ প্রতারণা বিষ (২০০৭), সে কোথাও নেই (২০০৮)
আল মাহমুদ : লোক লোকান্তর (১৩৭০), কালের কলস (১৩৭৩), সোনালী কাবিন (১৯৭৩), মায়াবী পর্দা দুলে ওঠে (১৯৭৬), অদৃষ্টবাদীদের রান্নাবান্না (১৯৮০), বখতিয়ারের ঘোড়া (১৯৮৫), আরব্য রজনীর রাজহাঁস (১৯৮৭), প্রহরান্তের পাশফেরা (১৯৮৮), এক চক্ষু হরিণ (১৯৮৯), মিথ্যাবাদী রাখাল (১৯৯৩), আমি দূরগামী (১৯৯৪), হৃদয়পুর (১৯৯৫), দোয়েল ও দয়িতা (১৯৯৭), দ্বিতীয় ভাঙন (২০০০)
আল মুজাহিদী : হেমলকের পেয়ালা, ধ্রুপদ ও টেরাকোটা, দূত পারাবত (১৯৮৪), মৃত্তিকা অতিমৃত্তিকা, ঈভের হ্যামলেট, সিলুএট, সৌর জোনাকী, সহস্র দিবস সহস্র রজনী, একা অনন্তে, সমুদ্র মেখলা, কাঁদো হিরোশিমা কাঁদো নাগাসাকি, কালের বন্দিশে, যুদ্ধ নাস্তি, প্রিজন ভ্যান, দিদেলাস ও ল্যবরিন্থ, পাথর ও প্যাপিরাস, প্রাচ্য পৃথিবী, সন্ধ্যার বৃষ্টি, ধরিত্রির ধুলো
আলাউদ্দিন আল আজাদ : ভোরের নদীর মোহনায় জাগরণ (১৯৬২), মানচিত্র (১৯৬১), সূর্যজ্বালার সোপান (১৯৬৫), লেলিহান পান্ডুলিপি (১৯৭৫), নিখোঁজ সনেটগুচ্ছ (১৯৮৩), আমি যখন আসবো (১৯৮৪), সাজঘর (১৯৯০), চোখ (১৯৯৬), শ্রেষ্ঠ কবিতা, অ্যাসেস এ- স্পার্কাস (১৯৮৪), শ্রেষ্ঠ কবিতা (১৯৮৭)
আশরাফ সিদ্দিকী : তালেব মাস্টার ও অন্যান্য কবিতা (১৯৫০), বিষকন্যা (১৯৫৫), সাত ভাই চম্পা (১৯৫৫), উত্তর আকাশে তারা (১৯৫৮), কুঁচবরণের কন্যা (১৯৭৬), তিরিশ বসন্তের ফুল (১৯৭৫), বৃক্ষ দাও : ছায়া দাও (১৯৮৪), ঝড় তুফানে (প্রথম খন্ড ১৯৮১ ও দ্বিতীয় খন্ড ১৯৯০), দাঁড়াও পথিকবর (১৯৯০), কিশোর কবিতা কাগজের নৌকা (১৯৬২)
আসলাম সানী : প্রাণহীন বেঁচে আছো (১৯৭৮), বিষণ্ন বিস্তৃতি (১৯৮০), প্রেম শুধু তোমারই জন্যে (১৯৮৪), হৃদয়ে অগ্নি জল তুমি (১৯৮৬), নিঃশ্বাসে বিশ্বাসে বঙ্গবন্ধু (১৯৮৮), আমার কোনো ভালোমন্দ নেই (১৯৯০), তুই রাজাকার (১৯৯৩), বিজয়ী বাঙালীর নাম বঙ্গবন্ধু (১৯৯৭), সহি মুজিবনামা (১৯৯৬)
আসাদ চৌধুরী : তবক দেওয়া পান (১৯৭৫), বিত্ত নাই বেসাত নাই (১৯৭৬), প্রশ্ন নেই, উত্তরে পাহাড় (১৯৭৯), জলের মধ্যে লেখাজোখা (১৯৮২), যে পারে পারুক (১৯৮৩), মধ্যমাঠ থেকে (১৯৮৪), মেঘের জুলুম পাখির জুলুম (১৯৮৫), ভালোবাসার কবিতা (১৯৮৫), আমার কবিতা (১৯৮৫), দুঃখীরাও গল্প করে (১৯৮৭), নদীও বিবস্ত্র হয় (১৯৯২), বাতাস যেমন পরিচিত (১৯৯৮), বৃষ্টির সংসারে আমি কেউ নয় (১৯৯৮), প্রেমের কবিতা (১৯৮৫)
আসাদ মান্নান : তুমি মৃত অজগর কোথায় পালাবে (১৯৯০), সূর্যাস্তের উল্টোদিকে (১৯৮১), সৈয়দ বংশের ফুল (১৯৮৩), কাফনের ছায়ালিপি, দ্বিতীয় জন্মের দিকে (১৯৯৩), ভালোবাসা আগুনের নদী (১৯৯৫), নির্বাচিত কবিতা (২০০৩), সুন্দর দক্ষিণে থাক (২০০৫), তোমার কীর্তন (২০০৬)।
আহমদ ছফা : জল্লাদ সময় (১৯৭৪), দুঃখের দিনে দোহা (১৯৭৫), একটি প্রবীণ বটের কাছে প্রার্থনা (১৯৭৭)
আহমেদ রফিক : নির্বাসিত নায়ক (১৯৬৭), বাউল মাটিতে মন (১৯৭১), রক্তের নিসর্গে স্বদেশ (১৯৭৯), বিপ্লব ফেরারী, তবু (১৯৮৯), পড়ন্ত রোদ্দুরে (১৯৯৪)
আহসাব হাবীব : রাত্রি শেষ (১৯৪৭), ছায়াহরিণ (১৯৬২), সারা দুপুর (১৯৬৪), আশায় বসতি (১৩৮১), মেঘ বলে চৈত্রে যাবো (১৯৭৬), দু’হাতে দুই আদিম পাথর (১৯৮০), বিদীর্ণ দর্পণে মুখ (১৯৮৫)
আয়শা ঝর্ণা : আঁধার যান (১৯৯৬), ঘুমের ভেতর যাত্রা (১৯৯৮), ভুবন মহলের দরজা (২০০০), মাত্রমানুষ (২০০৩), উনুনের গান (২০০৫), আয়না রক্ত হলো (২০০৭)
ইউসুফ পাশা : অপ্রতুল পুতুল নাচে (১৯৮৪), প্রণয়ের প্রজাপতি (১৯৮৫), রুদ্ধ তোমার দরোজায়, একা একা যাই
ইউসুফ মুহম্মদ : জলপ্রবাহের পদচিহ্ন (১৯৮২), হাতবাড়ালেই বুকের নদী (১৯৮২), যুক্তাঞ্জলি : আয়না ও অন্যান্য কবিতা (১৯৯৭)
ইকবাল আজিজ : প্রতীকের হাত ধরে অনেক প্রতীক (১৯৮৭), ফিরে আসে প্রাচীন পুরুষ (১৯৮৯), ইকবাল আজিজের প্রেমের কবিতা (১৯৯০), একটি স্বপ্নের কথা (১৯৯৩), অন্তহীন সৌরজড় (১৯৯৭), ভালোবেসে দূরে আছি (১৯৯৮), ইকবাল আজিজের শ্রেষ্ঠ কবিতা (২০০২)
ওবায়েদ আকাশ : পতন গুঞ্জনে ভাসে খরস্রোতা চাঁদ (২০০১), নাশতার টেবিলে প্রজাপতিগণ (২০০৩), দূরারোগ্য বাড়ি (২০০৪), কুয়াশা উড়ালো যারা (২০০৫), তারপরে, তারকার হাসি (২০০৭), শীতের প্রকার (২০০৮)
ওমর আলী : এদেশে শ্যামল রঙ রমনীর সুনাম শুনেছি (১৯৬৭), আত্মার দিকে (১৯৬৮), নদী (১৯৬৯), নিঃশব্দ বাড়ি (১৯৭৩), অরণ্যে একটি লোক (১৯৭৪), বিলেতে অনিচ্ছুক একজন (১৯৭৫), নরকে বা স্বর্গে (১৯৭৫) কিশোরীর মন?, যে তুমি আড়ালে? (১৯৮৭)
ওয়ালী কিরণ : মগ্নপ্রতীক (১৯৯৫), উৎসভূমি (১৯৯৭), রূপান্তরের পাখি (১৯৯৮), মিশ্রমানব (১৯৯৮), ওই নদী জলমঞ্চ (২০০১)
কাজল শাহনেওয়াজ : জলমগ্ন পাঠশালা (১৯৮৯)।
কাজলেন্দু দে : নিশ্চিন্দিপুরের গল্প (১৯৮৭), সমুদ্র, জাহাজ ও আকাশের গল্প (১৯৯২), উৎকীর্ণ কবিতাবলি (১৯৯৭)
কামরুল হাসান : সহস্র কোকিলের গ্রীবা (১৯৯১), প্রান্তসীমা অনন্তদূর (১৯৯২), ছুলে বিদ্যুল্লতা, না ছুলে পাথর (১৯৯৩) পাখি নই আশ্চর্য মানুষ (১৯৯৪), দশদিকে উৎসব (১৯৯৭), বৃক্ষদের শোভা দেখে যাব (২০০০), রূপচৈত্রের অরণ্যটিলায় (২০০৪)
কামাল চৌধুরী : মিছিলের সমান বয়সী (১৯৮১), টানাপোড়নের দিন (১৯৯০), এই পথ এই কোলাহল (১৯৯৩), এসেছি নিজের ভোরে (১৯৯৫), এই মেঘ বিদ্যুতে ভরা (১৯৯৭), নির্বাচিত কবিতা (১৯৯৮), ধূলি ও সাগর দৃশ্য (২০০০), রোদ বৃষ্টি অন্ত্যমিল (২০০৩), হে মাটি পৃথিবীপুত্র (২০০৬)
কায়সুল হক : শব্দের সাঁকো (১৯৭৪), রবীন্দ্রনাথের নিরূপম বাগান (২০০১)
কিশওয়ার ইবনে দিলওয়ার : সুষম দৃষ্টিতে (১৯৭৯), সংঘর্ষ, আলো-অন্ধকার (১৯৮৯), ছায়া শরীরীর গান (১৯৯৭), পাখির রাজার কাছে (২০০১), চিবোয় প্রকৃতি (২০০২), কিশওয়ার ইবনে দিলওয়ার রচনাসমগ্র (২০০৫)
খালেদ হোসাইন : ইলা মিত্র ও অন্যান্য কবিতা (২০০০), শিকার-যাত্রার আয়োজন (২০০৫), জলছবির ক্যানভাস (২০০৬), পাতাদের সংসার (২০০৭), এক দুপুরের ঢেউ (২০০৮)
খালেদা এদিব চৌধুরী : আমার দাহ আমার হাত (১৯৭৮), পান্থ তোমার ভালোবাসা (১৯৮৩), পাথুরে আগুন (১৯৮৫), তোমার অনঙ্গ (১৯৮৬), দুহাতে আঁধার কেটে (১৯৯৩), হে বাঁধন লতার কাঁদন (১৯৯৫), দু ফোঁটা চোখের জল (১৯৯৭), প্রেমের কবিতা (১৯৯৮)
খোন্দকার আশরাফ হোসেন : তিন রমনীর ক্বাসিদা (১৯৮৪), পার্ভ তোমার তীব্র তীর, জীবনের সমান চুমুক (১৯৮৯), সুন্দরী ও ঘৃণার ঘুঙুর (১৯৯২), যমুনাপর্ব, জন্মবাউল, তোমার নামে বৃষ্টি নামে (২০০৮)
গোলাম কিবরিয়া পিনু : এখন সাইরেন বাজানোর সময় (১৯৮৪), সোনামুখ স্বাধীনতা (১৯৮৯), পোর্ট্রেট কবিতা (১৯৯০), সূর্য পুড়ে গেল (১৯৯৫), কে কাকে পৌঁছে দেবে দিনাজপুরে (১৯৯৭), আমরা জোংরাখোটা (২০০১), সুধাসমুদ্র (২০০৮)
গোলাম মোস্তফা : বনি-আদম (১৯৫৮), রক্তরাগ (১৯২৪), খোশরেজ (১৯২৯), কাব্যকাহিনী (১৯৩২), সাহারা (১৯৩৬), হাøাহেনা (১৯৩৮), তারানা-ই-পাকিস্তান (১৯৪৮), গীতি-সঞ্চয়ন (১৯৬৮)
চঞ্চল আশরাফ : চোখ নেই দৃশ্য নেই (১৯৯৩), অসমাপ্ত শিরদাঁড়া (১৯৯৬), ও মুদ্রা-রহস্যে মেশে (২০০২), গোপনতাকামী আগুনের প্রকাশ্য রেখাগুলো (২০০৮)
জাফর আহমেদ রাশেদ : কাচের চুড়ি বালির পাহাড় (১৯৯৭), যজ্ঞযাত্রাকালে (২০০১)
জাহানারা আরজু : নীলস্বপ্ন (১৯৬২), রৌদ্রঝরা গান (১৯৬৪), শোণিতাক্ত আখর (১৯৭১), আমার শব্দে আজন্ম আমি (১৯৮৩), ক্রন্দসী আত্মজা (১৯৮৪), স্বনির্বাচিত শত কবিতা (১৯৯৬), নির্বাচিত প্রেমের কবিতা (১৯৮৮), বিমুক্ত পংক্তিমালা (১৯৮৮), তৃষ্ণার্ত মাটির চুম্বন (১৯৯০), আকাশের মাঠটায় মায়াবী ছায়া (১৯৯৬), পায়ের তলায় কম্পিত কর্দমাক্ত মাটি (১৯৯৭)
জাহিদ হায়দার : স্বগত কালের পর্যটক (১৯৮২), খোলা দরোজার দিন (১৯৮৫), অগ্নিগণ সখা আমার (১৯৯২), বলো দূত, অভিসার তিথি (১৯৯৬), বন্দনা করি অপেক্ষার (১৯৯৭), রূপকথা এঁকেছিল ক’জন (১৯৬৮)
জাহিদুল হক : পকেটভর্তি মেঘ (১৯৮১), তোমার হোমার (১৯৮৪), নীল দূতাবাস (১৯৮৫), সেই নিশ্বাসগুচ্ছ (১৯৮৯), পরীগুচ্ছ ও অন্যান্য কবিতা (১৯৯৪), এই ট্রেনটির নাম গার্সিয়া লোকরা (১৯৯৬), এ উৎসবে আমি একা (১৯৯৭), জাহিদুল হকের শ্রেষ্ঠ কবিতা (১৯৯১)
জিয়া হায়দার : ভালোবাসা ভালোবাসা (১৯৯০), একতারাতে কান্না (১৯৬৩), কৌটোর ইচ্ছেগুলো (১৯৬৭), দূর থেকে দেখা (১৯৭৭), From far away (১৯৭৯), আমার পলাতক ছায়া (১৯৮২), শ্রেষ্ঠ কবিতা (১৯৮৬), লোকটি ও তার পেছনের মানুষেরা (১৯৮৮), অগ্রন্থিত কবিতা
জুলফিকার মতিন : স্বৈরিনি স্বদেশ তুই (১৯৭২), কোন লক্ষ্যে হে নিষাদ (১৯৮৯), তাইতো সংবাদ নেই (১৯৯৯), নীলিমাকে চাঁদ দেবো বলে (২০০০), বৈশাখে ঝড় জল রোদের কবিতা (২০০০), ঘামের ওজন কত ভারী (২০০১), দুঃখ ভোলার দীর্ঘশ্বাস (২০০৫), এই সংবাদ এই একুশে (২০০৭)
টোকন ঠাকুর : অন্তরনগর ট্রেন ও অন্যান্য যাত্রী (১৯৯৭), দূরসম্পর্কের মেঘ (১৯৯৯), আয়ুর সিংহাসন (২০০০), কবিতা কুটিরশিল্প (২০০১), ঝাঁ ঝাঁ ঝিঁ ঝিঁ (২০০৩)
তসলিমা নাসরিন : শিকড়ে বিপুল ক্ষুধা (১৯৮৬), নির্বাসিত বাহিরে অন্তরে (১৯৮৯), আমার কিছু যায় আসে না (১৯৯০), অতলে অন্তরীণ (১৯৯১), বালিকার গোল্লাছুট (১৯৯২), নির্বাচিত নারী (১৯৯২), বেহুলা একা ভাসিয়েছিল ভেলা (১৯৯৩), নির্বাচিত কবিতা
তালিম হোসেন : দিশারী (১৯৫৬), শাহীন (১৯৬২), ইসলামী কবিতা (১৯৮১), নূহের জাহান (১৯৮৩)
ত্রিদিব দস্তিদার : গৃহপালিত পদ্যেরা (১৯৯৬), অঙ্গে আমার বহুবর্ণের দাগ (১৯৯৮), ভালো বাসতে বাসতে ফতুর করে দেব (১৯৯৯), ভালোবাসার শাদা ছড়ি (২০০১), পোড়াবো তাজমহল (২০০৩)
দাউদ হায়দার : জন্মই আমার আজন্ম পাপ (১৯৭৩), সম্পন্ন মানুষ নই (১৯৭৫), আমি ভালো আছি, তুমি (১৯৭৬), জেলে লেখা পদ্য (১৯৭৬), এই শাওনে পরবাসে (১৯৭৬), আপনমুগ্ধ দেশে, একা (১৩৮৬), আমি পুড়ছি জল ও আগুনে (১৯৮২), পাথরের পুঁথি (১৯৮৩), যে দেশে সবাই অন্ধ (১৯৮৪), প্রিয়তমাসু (১৯৮৪), ধূসর গোধূলিধুলিময় (১৯৮৮), নদীর উৎস ছিল যেখানে (১৯৯১), পাষাণদুয়ার (১৯৯২), নাম দিয়েছে কুসুমমঞ্জুরী (১৯৯৮), প্রেমের কবিতা সমগ্র (১৯৯৯), দাউদ হায়দারের শ্রেষ্ঠ কবিতা (২০০০)
দিলওয়ার : রক্তে আমার অনাদি অস্থি (১৯৫১), জিজ্ঞাসা (১৯৫৩), পূবাল হাওয়া (১৯৫৩), ঐকতান (১৯৬৪), উদ্ভিন্ন উল্লাস (১৯৬৯), স্বনিষ্ঠ সনেট (১৯৭৭), নির্বাচিত কবিতা (১৯৮৭), দিলওয়ারের একুশের কবিতা (১৯৯৩), দিলওয়ারের স্বাধীনতার কবিতা (১৯৯৩), দিলওয়ারের রচনাসমগ্র প্রথম খন্ড (১৯৯৯) ও দ্বিতীয় খন্ড (২০০০)
নির্মলেন্দু গুণ : প্রেমাংসুর রক্ত চাই (১৯৭০), না প্রেমিক না বিপ্লবী (১৯৭২), ও বন্ধু আমার (১৯৭৫), আনন্দ কুসুম (১৯৭৬), বাংলার মাটি বাংলার জল (১৯৭৮), তার আগে চাই সমাজতন্ত্র (১৯৭৯), চাষাভুষার কাব্য (১৯৮১), অচল পদাবলী (১৯৮২), পৃথিবীজোড়া গান (১৯৮২), দূর হ দুঃশাসন (১৯৮৩), শান্তির ডিক্রি (১৯৮৪), ইস্ক্রা (১৯৮৪), প্রথম দিনের সূর্য (১৯৮৪), আবার একবার ফুঁ দিয়ে দাও (১৯৮৪), নেই কেন সেই পাখি (১৯৮৫), নিরঞ্জনের পৃথিবী (১৯৮৬), চিরকালের বাঁশি (১৯৮৬), দুঃখ করো না বাঁচো (১৯৮৭) , যখন আমি বুকের পাজর খুলে দাঁড়াই (১৯৮৯), ধাবমান হরিণের দ্যুতি (১৯৯২), অনন্ত বরফবীথি (১৯৯৩), আনন্দউদ্যান (১৯৯৫), প্রিয় নারী, হারানো কবিতা (১৯৯৬), শিয়রে বাংলাদেশ (১৯৯৮), ইয়াহিয়াকাল (১৯৯৮), আমি সময়কে জন্মাতে দেখেছি (২০০০), মুঠোফোনের কাব্য (২০০১), নিশিকাব্য (২০০২), চিরঅনাবৃতা হে নগ্নতমা (২০০৫)
নাসির আহমেদ : আকুলতা শুভ্রতার জন্যে (১৯৮৫), পাথরগুলো দুঃখগুলো (১৯৮৬), তোমাকেই আশালতা (১৯৮৭), আমার স্বপ্ন তুমি রাত্রি (১৯৯৭), ভালোবাসার এই পথে (১৯৯৭), তোমার জন্যে অনিন্দিতা (১৯৯৮),বৃক্ষমঙ্গল( ১৯৯৫) বিধ্বস্ত শহর ছেড়ে যেতে যেতে (১৯৯৯), ঝরাপতার নৃত্যকলা (২০০০), একাত্তরের পদাবলী ( ২০০০)
পাবলো শাহি : ইহা এক অভিনব কাব্য ভজনা (১৯৯৯), ক্ষম ওঁ নিঃশ্বাসযান (২০০০), মেঘবালিকার মুদ্রা (২০০১), বেহেশতি আদি বড় ও সহি হুরীনামা যাহা কেবল নরগণ পাঠ করিবেন (২০০১), শব্দবিশারদগণ কহেন উহা পে-ুলাম শরীরের গোলাকার মহাপ্রাণধ্বনি (২০০১), কহে কবি নবীন বাল্মীকি (২০০২), বর্ষা এবং আমাদের প্রাইভেসি-১ (২০০৩), বর্ষা এবং আমাদের প্রাইভেসি-১
ফজল শাহাবুদ্দীন: তৃষ্ণার অগ্নিতে একা (১৯৬৫), আকাক্সিক্ষত অসুন্দর (১৯৬৯), আততায়ী সূর্যাস্ত (১৯৭৫), ছিন্নভিন্ন কয়েকজন, অন্তরীক্ষে অরণ্য (১৯৮০), সান্নিধ্যের আর্তনাদ (১৯৮৩), আলোহীন অন্ধকারহীন (১৯৮৪), সনেটগুচ্ছ, অবিনশ্বর দরোজায়, আমার নির্বাচিত কবিতা, হে নীল সমুদ্র হে বৃক্ষ সবুজ, লংফেলোর নির্বাচিত কবিতা (১৯৬৭)
ফররুখ আহমদ : সাত-সাগরের মাঝি (১৯৪৪), সিরাজাম মুনিরা (১৯৫২), নৌফেল ও হাতেম (১৯৬১), মুহূর্তের কবিতা (১৯৬৩), হাতেম তা’য়ী (১৯৬৬)
ফরহাদ মজহার : খোকন ও তার প্রতি পুরুষ (১৯৭২), ত্রিভঙ্গের তিনটি জ্যামিতি (১৯৭৭), আমাকে তুমি দাঁড় করিয়ে দিয়েছো বিপ্লবের সামনে (১৯৮৩), বৃক্ষ (১৯৮৫), সুভাকুসুম দুই ফর্মা (১৯৮৫), অকস্মাৎ রপ্তানীমুখী নারী মেশিন (১৯৮৫), খসড়া গদ্য (১৯৮৭), মেঘ মেশিনের সঙ্গীত (১৯৮৮), এবাদতনামা (১৯৯০), অসময়ের নোটবই (১৯৯৪), দরদী বকুল (১৯৯৪), গুবরে পোকার শ্বশুর (২০০০), কবিতার বোনের সঙ্গে আবার (২০০৩)
বদরে মুনীর : আঙুলের উচ্চাকাক্সক্ষা (২০০৩), মায়ার মুরতি, যাতনার যতি (২০০৪), আমরা যারা ভুল করেছিলাম (২০০৮)
বন্দে আলী মিয়া : ময়নামতীর চর (১৯৩২), অনুরাগ (১৯৩২)
বায়তুল্লাহ্ কাদেরী : দুঃখের আঙুল নড়ে চড়ে (১৯৮৮), বাতাস তোমার রক্ত পান কর (১৯৯১), শীতাভ সনেটগুচ্ছ ও অন্যান্য (১৯৯৬), ত্রিণাচিকেতের নাচ (২০০২), কিম্ভূত হবার কথা ছিল (২০০৫)
বেগম সুফিয়া কামাল : সাঁঝের মায়া (১৯৩৮), মায়া কাজল (১৯৫১), মন ও জীবন (১৯৫৭), উদাত্ত পৃথিবী (১৩৭১), দীওয়ান (১৩৭৩), প্রশস্তি ও প্রার্থনা (১৯৬৮), অভিযাত্রিক (১৯৬৯), মৃত্তিকার ঘ্রাণ (১৩৭৭)
বেনজীর আহমদ : বন্দীর বাঁশী, বৈশাখী (১৩৬৯)
বেলাল চৌধুরী : বেলাল চৌধুরীর কবিতা (১৯৭৩), আত্মপ্রতিকৃতি, স্থির জীবন ও নিসর্গ (১৯৭৫), স্বপ্নবন্দী (১৯৭৯), জল বিষুবের পূর্ণিমা (১৯৮৫), প্রতিনায়কের স্বগতোক্তি (১৯৮৬), সেলাই করা ছায়া (১৯৮০), কবিতার কমলবনে, যাবজ্জীবন সশ্রম উল্লাসে (১৯৯৭), বত্রিশ নম্বর (১৯৯৭), স্ফূলিঙ্গ থেকে দাবানল (২০০১)
ময়ুখ চৌধুরী : কালো বরফের প্রতিবেশী (১৯৮৯), অর্ধেক রয়েছি জলে, অর্ধেক জালে (১৯৯৯), তোমার জানালায় আমি জেগে আছি চন্দ্রমলিকা (২০০০), প্যারিসের নীলরুটি (২০০১), আমার আসতে একটু দেরি হতে পারে (২০০২)
মহাদেব সাহা : এই গৃহ, এই সন্ন্যাস (১৯৭২) এরপর মানব এসেছি কাছে (১৯৭৩), চাই বিষ অমরতা (১৯৭৫), কী সুন্দর অন্ধ (১৯৭৮), তোমার পায়ের শব্দ (১৯৮২), ধুলোমাটির মানুষ (১৯৮২), ফুল কই, শুধু অস্ত্রের উল্লাস (১৯৮৪), লাজুক লিরিক (১৯৮৪), আমি ছিন্নভিন্ন (১৯৮৬), মানুষ বড়ো ক্রন্দন জানে না (১৯৮৯), নির্বাচিত কবিতা (১৯৮৯), প্রথম পয়ার (১৯৯০), প্রেমের কবিতা (১৯৯১), রাজনৈতিক কবিতা (১৯৯১), কোথা সেই প্রেম, কোথা সে বিদ্রোহ (১৯৯০), অস্তমিত কালের গৌরব (১৯৯২), আমূল বদলে দাও আমার জীবন (১৯৯৩), একা হয়ে যাও (১৯৯৩), যদুবংশ ধ্বংসের আগে (১৯৯৪), কাথায় যাই, কার কাছে যাই (১৯৯৪), সুন্দরের হাতে আজ হাতকড়া গোলাপের বিরুদ্ধে হুলিয়া (১৯৯৫), এসো তুমি পুরাণের পাখি (১৯৯৫), বেঁচে আছি স্বপ্নমানুষ (১৯৯৫), বিষাদ ছুঁয়েছে আজ, মন ভালো নেই (১৯৯৬), আকাশের আদ্যোপান্ত (১৯৯৬), তোমার জন্য অন্ত্যমিল (১৯৯৬), ভুলি নাই তোমাকে রুমাল (১৯৯৬), তুমিই অনন্ত উৎস (১৯৯৬), কেউ ভালোবাসে না (১৯৯৭), কাকে এই মনের কথা বলি (১৯৯৭), অন্ত্যহীন নৃত্যের মহড়া (১৯৯৭), একবার নিজের কাছে যাই (১৯৯৭), পাতার ঘোমটা-পরা বাড়ি (১৯৯৭)
মহীবুল আজিজ : সান্তিয়াগো’র মাছ (১৯৮৮), রৌদ্রছায়ার প্রবাস (১৯৯৭), হরপ্পার চাকা (১৯৯৮), পৃথিবীর সমস্ত সকাল (২০০১), নিরান্দপুর (২০০২), বৈশ্ব বিশ্বে এক শূদ্র (২০০৩), অসুস্থতা থেকে এই মাত্র (২০০৩), এই নাও দিলাম সনদ (২০০৪), আমার যে রকম প্রস্তুতি (২০০৪), আমরা যাই স্যানাটরিয়ামে (২০০৫), পালাবার কবিতা (২০০৫), দৃশ্য ছেড়ে যাই (২০০৬)
মাকিদ হায়দার : রোদে ভিজে বাড়ি ফেরা (১৯৭৬), আপন আঁধারে একদিন (১৯৮৪), প্রিয় রোকোনালী (২০০৩), রোদে ভিজে বাড়ি ফেরা (১৯৭৬), আপন আঁধারে একদিন (১৯৮৪)।
মারুফ রায়হান : স্বপ্নভস্মের চারুকর্ম (১৯৯২), উদ্বাস্তু গদ্যের গান (১৯৯৪), ভালোবাসার ভুলগুলো, ফুলগুলো (১৯৯৬)
মাসুদ খান : পাখিতীর্থদিনে (১৯৯৩), নদীকূলে করি বাস, সরাইখানা ও হারানো মানুষ
মাহবুব উল আলম চৌধুরী : কাঁদতে আসিনি ফাঁসির দাবি নিয়ে এসেছি (সুবর্ণ সং. ঢাকা ১৯৮৮)
মাহবুব সাদিক : স্বপ্নচৈতন্যের ডালপালা (১৯৮৩), সুন্দর তোমার নির্জনে (১৯৮৫), যায় কল্পান্তের কাল (১৯৮৬), আদিগন্ত রোদের তিমিরে (১৯৯৫), অনন্ত নক্ষত্র চোখ (১৯৯৯), অতৃপ্ত ঈশ্বর (২০০০), নিরালোকে জলঝর্ণার ধ্বনি (২০০৬)
মাহবুব হাসান : তন্দ্রার কোলে হরিণ (১৯৮৪), তোমার প্রতীক (১৯৮৬), নিসর্গের নুন (১৯৯০), তাজা গ্রেনেড কিংবা দিবাস্বপ্ন (১৯৯৩), আমার আকাশ (১৯৯৮)
মাহমুদা খাতুন সিদ্দিকা : পশারিণী (১৩৩৮ ব.), মন ও মৃত্তিকা (১৩৬৭ ব.), অরণ্যের সুর (১৯৬৩)
মিনার মনসুর : এই অবরুদ্ধ মানিচিত্রে (১৯৮৩), অনন্তের দিনরাত্রি (১৯৮৬), অবিনশ্বর মানুষ (১৯৮৯), আমার আকাশ (১৯৯১), জলের অতিথি (১৯৯৫)
মুজিব ইরম : মুজিব ইরম ভনে শোনে কাব্যবান (১৯৯৬), ইরমকথা (১৯৯৯), ইরমকথার পরের কথা (২০০১), উত্তরবিরহচরিত (২০০৩), ইতা আমি লিখে রাখি (২০০৫)
মুজিব মেহেদী : চন্দ্রাবতীর কয়েকজন সন্তান (১৯৯৭), ময়দানের হাওয়া (২০০৭), মিথ্যেবাদীদের জন্য অপাঠ্য রচনা
মুহম্মদ নূরুল হুদা : আমরা তামাটে জাতি (১৯৮১), শোণিতে সমুদ্রপাত (১৯৭২), আমার সশস্ত্র শব্দবাহিনী (১৯৭৫), শোভাযাত্রা দ্রাবিড়ার প্রতি (১৯৭৫), অগ্নিময়ী হে মৃন্ময়ী (১৯৮০), শুক্লা শকুন্তলা (১৯৮৩), নির্বাচিত কবিতা (১৯৮৫), যিসাস মুজিব (১৯৮৪), হনলুলু ও অন্যান্য কবিতা (১৯৮৭), কুসুমের ফণা (১৯৮৮), বারো বছরের গল্প (১৯৮৮), এক জনমে লক্ষ জন্ম (১৯৮৮), গালিবের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা (১৯৮৯), আমি যদি জলদাস তুমি জলদাসী (১৯৯০), হ্যামিলনের রাজা (১৯৯০), তেলাপোকা (১৯৯০), জাতিসত্তার কবিতা (১৯৯২), ভিনদেশী প্রেমের কবিতা (১৯৯৩), অরক্ষিত সময় (১৯৯৩), প্রেমের কবিতা (১৯৯৪), দিগন্তের খোসা ভেঙে (১৯৯৪), ভালোবাসার বুক পকেটে (১৯৯৪), আমার কপালেও সময়ের ভাইফোঁটা (১৯৯৫), প্রিয় পঙ্ক্তিমালা (১৯৯৫), মৌলাধুনিক (১৯৯৫), মুজিববাড়ি (১৯৯৬), দেখা হলে একা হয়ে যাই (১৯৯৮)
মোহন রায়হান : জ্বলে উঠি সাহসী মানুষ (১৯৭৯), আমাদের ঐক্য আমাদের জয় (১৯৮০), সামরিক আদালতে অভিভাষণ (১৯৮৪), আর হলো না বাড়ি ফেরা (১৯৮৫), ফিরে দাও সেই স্টেনগান (১৯৮৬), শকুন সময় (১৯৮৭), গোলাপজানের পকেট পঞ্জিকা (১৯৮৭), মোহন রায়হানের সংগ্রামী কবিতা (১৯৮৯), মোহন রায়হানের প্রেমের কবিতা (১৯৮৯), ঘাতক না প্রেমিক (১৯৯৫), সবুজ চাঁদের ঢাকা রক্তাক্ত ছুরি (১৯৯৮)
মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান : দুর্লভ দিন (১৯৬১), শঙ্কিত আলোক (১৯৬৮), বিপন্ন বিষাদ (১৯৬৮), প্রতনু প্রত্যাশা (১৯৭৩), ভালবাসার হাতে (১৯৭৬), ভূমিহীন কৃষিজীবী ইচ্ছে তার (১৯৮৪), কোলাহলের পর (১৯৯০), ধীর প্রবাহে (১৯৯৩), ভাষাময় প্রজাপতি (১৯৯৭), অনির্বাণ (১৯৬৮), ইচ্ছেমতী (১৯৭৬), তৃতীয় তরঙ্গে (১৯৮৪)
মোহাম্মদ মাহফুজউল্লাহ : জুলেখার মন (১৯৫৯), অন্ধকারে একা (১৯৬০), রক্তিম হৃদয় (১৯৬৬), আপন ভুবন (১৯৭৪), কাব্যসম্ভার (১৯৮০), বৈরিতার হাতে বন্দী (১৯৯৬)
মোহাম্মদ রফিক : বৈশাখী পূর্ণিমা (১৯৭০), ধুলোর সংসারে এই মাটি (১৯৭৬), কীর্তিনাশা (১৯৭৯), কপিলা (১৯৮৩), খোলা কবিতা (১৯৮৩), উপকথা (১৯৮৫), গাওদিয়া (১৯৮৭), স্বদেশী নিঃশ্বাস-তুমিময় (১৯৮৮), মেঘে এবং কাদায় (১৯৯১), মোহাম্মদ রফিকের নির্বাচিত কবিতা (১৯৯৩), রূপকথা কিংবদন্তী (১৯৯৮), মৎস্যগন্ধা (১৯৯৯), মাতি কিসকু (২০০০), স্মৃতি-বিস্মৃতির অন্তরালে (২০০২), ভালোবাসার জীবনানন্দ (২০০৩), বিষখালী সন্ধ্যা (২০০৩), কালাপানি (২০০৬)
মোস্তফা তারিকুল আহসান : যদিও জাতিস্মর নই (২০০১), এ দৃশ্য হননের (২০০৫), কন্টিকিরি রাত ( ২০১১)
মোস্তাক আহমাদ দীন : কথা ও হাড়ের বেদনা (২০০১), জল ও ত্রিকালদর্শী (২০০৫)
রফিক আজাদ : অসম্ভব পায়ে (১৯৭৩), সীমাবদ্ধ জলে সীমিত সবুজে (১৯৭৪), নির্বাচিত কবিতা (১৯৭৫), চুনিয়া আমার আর্কেডিয়া (১৯৭৭), প্রেমের কবিতা (১৯৮১), সশস্ত্র সুন্দর (১৯৮২), একজীবনে (১৯৮৩), ভালোবাসার কবিতা (১৯৮৩), অঙ্গীকারের কবিতা (১৯৮৩), প্রিয় শাড়িগুলি (১৯৮৩), হাতুড়ির নিচে জীবন (১৯৮৪), পরিকীর্ণ পানশালা আমার স্বদেশ (১৯৮৫), রফিক আজাদের শ্রেষ্ঠ কবিতা (১৯৮৭), গদ্যের গহন অরণ্যে হারিয়ে যাওয়া আমি এক দিগ্ভ্রান্ত পথিক (১৯৮৭), অপর অরণ্যে (১৯৮৭), খুব বেশি দূরে নয় (১৯৮৯), ক্ষমা কর বহমান হে উদার অমেয় বাতাস (১৯৯২), করো অশ্রুপাত (১৯৯৪), পাগলা গারদ থেকে, প্রেমিকার চিঠি (১৯৯৫), প্রেম ও বিরহের কবিতা (১৯৯৪), কবিতাসমগ্র (১৯৯৬), কণ্ঠে তুলে আনতে চাই (১৯৯৬), প্রেমের কবিতাসমগ্র (১৯৯৭), হৃদয়ে কী বা দোষ (১৯৯৭), বিরিশিরি পর্ব (১৯৯৭)
রবিউল হুসাইন : সুন্দরী ফণা (১৯৮৪), কোথায় আমার নভোযান, কেন্দ্রধ্বনিতে বেজে ওঠে (১৯৯৬)
রবীন্দ্র গোপ : পতাকায় রক্তের দাগ (১৯৮৭), পালালো কুমারী সাপ (১৯৮৯), অরক্ষিত সভ্যতা (১৯৮১), দাঁড়াও আসছি (১৯৮৩), মানুষ এবং মানুষ (১৯৮৪), জলের বাড়ি মাঝ উঠানে (১৯৯০), কালরাত্রি (১৯৯৭)
রহমান হেনরী : বনভোজনের মতো অন্ধকার (১৯৯৯), বিষাদের চন্দ্রবন (১৯৯৮), প্রকৃত সারস উড়ে যায় (২০০০), আদি ও আসল, ছহি ভেদকথা (১৯৯৯), সার্কাস মুখরিত গ্রাম (২০০১), গীতঅনার্য (২০০২), অন্ধকারবেলা (২০০০), খুনঝরা নদী (২০০৫), তোমাকে বাসনা করি (২০০৫), গোত্রভূমিকাহীন (২০০৮), শ্রেষ্ঠ কবিতা (২০০৮)
রায়হান রাইন : আকাশের কৃপাপ্রার্থী তরু (২০০৭)
রিষিণ পরিমল : অন্তঃস্রোতের মানসাঙ্ক (২০০০), নদীজলে চৈত্রদাহ (২০০২), শীতের অরণ্য জানে না ফাল্গুন কতদূরে (২০০৭)
রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ : উপদ্রুত উপকূল (১৯৭৯), ফিরে চাই স্বর্ণগ্রাম (১৯৮১), মানুষের মানচিত্র (১৯৮৪), ছোবল (১৯৮৬), দিয়েছিলে সকল আকাশ (১৯৮৮), মৌলিক মুখোশ (১৯৯০), একগ্লাস অন্ধকার (১৯৯২), বিশ বিরিক্ষের বীজ (১৯৯২)
রেজাউদ্দিন স্টালিন : পূর্ণপ্রাণ যাবো (১৯৮৩), ফিরিনি অবাধ্য আমি (১৯৮৬), দাঁড়াও পথিকবর (১৯৮৬), ভেঙে আনো ভেতরে অন্তরে (১৯৮৭), সেইসব ছদ্মবেশ (১৯৮৯), আঙুলের জন্য দ্বৈরথ (১৯৯২), আশ্চর্য আয়নাগুলো (১৯৯২), ওরা আমাকে খুঁজেছিল সম্ভাবনার নিচে (১৯৯৬), পৃথিবীতে ভোর হতে দেখিনি কখনো (১৯৯৭), কবিতাসংগ্রহ (১৯৯৭), আশীর্বাদ করি আমার দুঃসময়কে (১৯৯৮), হিংস্র নৈশভোজ (১৯৯৯), আমি পৃথিবীর দিকে আসছি (২০০০)
শহীদ কাদরী : উত্তরাধিকার (১৯৬৭), তোমাকে অভিবাদন প্রিয়তমা (১৯৭৪), কোথাও কোন ক্রন্দন নেই (১৯৭৮)
শামসুর রাহমান : প্রথম গান, দ্বিতীয় মৃত্যুর আগে (১৯৬০), রৌদ্র করোটিতে (১৯৬৩), বিধ্বস্ত নীলিমা (১৯৬৭), নিরালোকে দিব্যরথ (১৯৬৮), নিজ বাসভূমে (১৯৭০), বন্দী শিবির থেকে (১৯৭২), দুঃসময়ের মুখোমুখি (১৯৭৩), ফিরিয়ে নাও ঘাতক কাঁটা (১৯৭৪), আদিগন্ত নগ্ন পদধ্বনি (১৯৭৪), এক ধরনের অহংকার (১৯৭৫), আমি অনাহারী (১৯৭০), শূন্যতায় তুমি শোকসভা (১৯৭৭), বাংলাদেশ স্বপ্ন দ্যাখে (১৯৭৭), প্রতিদিন ঘরহীন ঘরে (১৯৭৮), ইকাররুশের আকাশ (১৯৮২), উদ্ভট উটের পিঠে চলেছে স্বদেশ (১৯৮২), মাতাল ঋত্বিক (১৯৮২), কবিতার সঙ্গে গেরাস্থলি (১৯৮৩), নায়কের ছায়া (১৯৮৩), আমার কোনো তাড়া নেই (১৯৮৪), যে অন্ধ সুন্দরী কাঁদে (১৯৮৪), অস্ত্রে আমার বিশ্বাস নেই (১৯৮৫), হোমারের স্বপ্নময় হাত (১৯৮৫), ইচ্ছে হয় একটু দাঁড়াই (১৯৮৫), ধূলায় গড়ায় শিরস্ত্রাণ (১৯৮৫), এক ফোঁটা কেমন অনল (১৯৮৬), টেবিলে আপেলগুলো হেসে ওঠে (১৯৮৬), দেশদ্রোহী হতে ইচ্ছে করে (১৯৮৬), অবিরল জলভ্রমি (১৯৮৬), আমার ক’জন সঙ্গী (১৯৮৬), ঝর্ণা আমার আঙ্গুলে (১৯৮৭), খুব বেশি ভাল থাকতে নেই (১৯৮৭), স্বপ্নেরা ডুকরে ওঠে বারবার (১৯৮৭), মঞ্চের মাঝখানে (১৯৮৮), বুক তার বাংলাদেশের হৃদয় (১৯৮৮), হৃদয়ে আমার পৃথিবীর আলো (১৯৮৯), সে এক পরবাসে (১৯৯০), গৃহযুদ্ধের আগে (১৯৯০), খন্ডিত গৌরব (১৯৯২), ধ্বংসের কিনারে ব’সে (১৯৯২), হরিণের হাড় (১৯৯৩), আকাশ আসবে নেমে (১৯৯৪), উজাড় বাগান (১৯৯৫), এসো কোকিল এসো স্বর্ণচাঁপা (১৯৯৫), মানব হৃদয়ে নৈবেদ্য সাজাই (১৯৯৬), তুমিই নিঃশ্বাস তুমিই হৃদস্পন্দন (১৯৯৬), তোমাকেই ডেকে ডেকে রক্তচক্ষু কোবিল হয়েছি (১৯৯৭), হেমন্ত, সন্ধ্যায় কিছুকাল (১৯৯৭), ছায়াগণের সঙ্গে কিছুক্ষণ (১৯৯৭)
শামসুল ইসলাম : জলৌকা হে নীলযমুনার (১৯৭৫), চিরবিরিঞ্চির তরু (১৯৮২), লোহল নুলিয়া (১৯৮৫), কালনেমিকাল (১৯৮৭), নষ্টচন্দ্রার চাঁদ (১৯৮৯), কনেসুন্দরী আলো (১৯৯২), হিচহাইকার ও অন্যান্য পদ্য (১৯৯৬), শামসুল ইসলামের কবিতা সংগ্রহ (১৯৯৬), একপ্রেমিতে আলকেমিতে (২০০০)
শামীম আজাদ : স্পর্শের অপেক্ষা, ভালোবাসার কবিতা, হে যুবক তোমার ভবিষ্যৎ মধ্যবিত্ত বদলে যাচ্ছে, দুই রমণীর মধ্যে সময়
শাহ্নাজ মুন্নী : ক্ষমঃ গো শ্বেতদুগ্ধ (১৯৯২), প্রেমের কবিতা (১৯৯৮), আমার নিজের এলাকা (২০০৩), আত্মঘাতি সুখ (২০০৪)
শাহাদাৎ হোসেন : রূপছন্দা (১৯৫০), মৃদঙ্গ (১৩৩৫), কল্পরেখা (১৩৩৬)
শিমুল মাহমুদ : মস্তিঙ্কে দিনরাত্রি (১৯৯০), সাদা ঘোড়ার স্রোত (১৯৯৮), প্রাকৃত ঈশ্বর (২০০০), জীবাতবে না মৃত্যবে (২০০১), কন্যাকমলসংহিতা (২০০৭), অধিবিদ্যাকে না বলুন (২০০৮)
শিহাব সরকার : লাল যৌবন দিন (১৯৮২), তোমার ক্ষত্রিয় (১৯৮৩), জয় হবে দীর্ঘশ্বাসে (১৯৮৫), কলিযুগ ও অন্যান্য কবিতা (১৯৮৮), করো গান বনজ্যোৎস্নার (১৯৯৩), ব্যাবিলন এক্সপ্রেস (১৯৯৭), ভূত তাড়াবার শোক (১৯৯৯), মেরিলিন, ঐ যে গুহা (২০০০), উড়িছে অন্ধ শঙ্খচিল (২০০৬)
শেখ আতাউর রহমান : একজন হত্যাকারীর গল্প (১৯৭৭), অলৌকিক জোনাকিরা (২০০৭)
সমুদ্র গুপ্ত : রোদ ঝলসানো মুখ (১৯৭৭), স্বপ্নমঙ্গল কাব্য (১৯৮৭), এখনো উত্থান আছে (১৯৯০), চোখে চোখ রেখে (১৯৯১), একাকী রৌদ্রের দিকে (১৯৯২), শেকড়ের শোকে (১৯৯৩), ঘাসপাতার ছুরি (১৯৯৬), সাতসমুদ্র (১৯৯৭)
সরকার আমিন : সংবিধিবদ্ধ সতর্কীকরণ (১৯৯২), ইহকাব্য (১৯৯৯), What my name is! (২০০২), আত্মহত্যার পরিবর্তে এককাপ চা খাও (২০০৩), ব্লেড দিয়ে কেটেছিল জল (২০০৪), চার পাঁচ হাজার পিঁপড়ের দুঃখ (২০০৫), আমাদের পোষা ট্রেন (২০০৬), যাকে খুন করার কথা তাকে দেখে হেসে ফেলি (২০০৭)
সরকার মাসুদ : কাচপোকার ঘূর্ণিদৃশ্য (১৯৮৫), প্রিয়তমার নৌকাঘাট (১৯৯৯)
সাইফুল্লাহ মাহমুদ দুলাল : তৃষ্ণার্ত জলপরী (১৯৮২), তবু কেউ কারো নই (১৯৮৫), অপেক্ষায় আছি প্রতীক্ষায় থেকো (১৯৮৭), ঘাতকের হাতে সংবিধান (১৯৯০), শহরের শেষ বাড়ি (১৯৯১), একি কান্ড পাতা নেই (১৯৯৫), দ্রবীভূত গদ্যপদ্য (১৯৯৯), ঐক্যের বিপক্ষে একা (২০০০), এলামেলো মেঘের মন (২০০১), নির্জনে কেন এতো কোলাহল (২০০৩), পরের জায়গা পরের জমিন (২০০৪), নিদ্রার ভেতর জেগে থাকা (২০০৪), ঘৃণিত গৌরব (২০০৫), নীড়ে নিরুদ্দেশ (২০০৭)
সাইয়িদ আতিকুল্লাহ্ : আমাকে ছাড়া অনেক কিছু (১৯৭৭), আঁধির যতো শত্রুমিত্র (১৯৮০), অদম্য পথিকের গান (১৯৮২), এই যে তুমূল বৃষ্টি (১৯৮৪), সরল চালের খেলা (১৯৮৫), যদি কিছু পাই (১৯৮৭), শাসন নেই, ধমক নেই (১৯৮৭), রোজ তোমাকে বেরুতে হয় (১৯৮৭), একই টেবিলে দশজন (১৯৮৭), এই যে আমার বৃদ্ধাঙ্গুলি, দ্যাখো, দ্যাখো (১৯৮৯), চেয়ে দেখি কত কিছু (১৯৯৪), চেয়ে দেখি কতো কিছু (১৯৯৪)
সানাউল হক : নদী ও মানুষের কবিতা (১৯৫৬), সম্ভবা অনন্যা (১৯৬২), সূর্য অন্যতর (১৯৬৩), বিচূর্ণ আর্শিতে (১৯৬৮), বিচূর্ণ আর্শিতে (১৯৬৮), ছড়া ঘরে ঘরে (১৯৭২), একটি ইচ্ছা সহস্র পালে (১৯৭৩), প্রবাসে যখন (১৯৮১), কাল সমকাল (১৯৭৫), পদ্মিনী শঙ্খিনী (১৯৭৬), প্রবাসে যখন (১৯৮১), কত রঙ কত মেঘ (১৯৮১), বিরাশির কবিতা (১৯৮২), উত্তীর্ণ পঞ্চাশে (১৯৮৪), বিরতিহীন (১৯৮৭)
সানাউল হক খান : অন্ধ করতালি (১৯৮০), জন্মগ্রহণ চন্দ্রগ্রহণ (১৯৮৪), দুঃখ নয় দীর্ঘ পরিণাম (১৯৮৫), লুব্ধ প্রার্থনা (১৯৮৬), দুঃখী বাংলার বেথেলহেমে (১৯৮৯), তোমার নিয়ম আমার নিয়তি (১৯৯৭)
সায্যাদ কাদির : যথেচ্ছ ধ্রুপদ (১৯৭০), রৌদ্রে প্রতিধ্বনি (১৯৭৬), দূররতমার কাছে (১৯৮৫), দরজার কাছে নদী (১৯৯২), আমার প্রিয় (১৯৯৫)
সিকদার আমিনুল হক : দূরের কার্নিশ (১৯৭৫), তিন পাগড়ির ফুল (১৯৭৯), পারাবত এই প্রাচীরের শেষ কবিতা (১৯৮২), আমি সেই ইলেকট্রা (১৯৮৫), বহুদিন উপেক্ষায় বহুদিন অন্ধকারে (১৯৮৭), পাত্রে তুমি প্রতিদিন জল (১৯৮৭), এক রাত্রি এক ঋতু (১৯৯১), সতত ডানার মানুষ থেকে (১৯৯১), সুপ্রভাত হে বারান্দা (১৯৯৩), কাফকার জামা (১৯৯৪), সুলতা আমার এলসা (১৯৯৪), রুমালের আলো ও অন্যান্য কবিতা (১৯৯৫), লোর্কাকে যেদিন ওরা নিয়ে গেলো (১৯৯৭)
সিকান্দার আবু জাফর : বৈরী বৃষ্টিতে (১৯৬৫), তিমিরান্তিক (১৯৬৫), প্রসন্ন প্রহর (১৯৬৫), কবিতা ১৩৭২ (১৯৬৮), বৃশ্চিক লগ্ন (১৯৭১), বাংলা ছাড়ো (১৯৭১), কবিতা ১৩৭৪ (১৯৭২)
সিদ্ধার্থ হক : এ নগর কেঁপে ওঠে ভোরে (১৯৯৩), বাতাস মুদ্রণ (১৯৯৪), বিবিধ মুখোশ (১৯৯৬), আগুন কাজ, ঘুমহীন ক্যানভাস (১৯৯৯)
সুফী মোতাহার হোসেন : সনেট সঞ্চয়ন (১৯৬৬), সনেট শতক (১৯৭০), সনেটমালা (১৯৭০)
সুব্রত বড়ুয়া : হলুদ বিকেলের গান (১৯৮৫), কবিতাসমগ্র (২০০৬)
সুহিতা সুলতানা : দুঃসহ শুদ্ধতা (১৯৯১), অবিরাম শোকার্ত স্বপ্নেরা (১৯৯৩), অসংখ্য অভিশাপ আমার নিদ্রার ভোরে (১৯৯৫)
সৈয়দ আলী আহসান : অনেক আকাশ (১৯৫৯), একক সন্ধ্যায় বসন্ত (১৯৬৪), সহসা সচকিত (১৯৬৫), উচ্চারণ (১৯৬৮), আমাদের প্রতিদিনের শব্দ (১৯৭৪), কাব্য সমগ্র (১৯৭৪), চাহার দরবেশ ও অন্যান্য কবিতা (১৯৮৫), সমুদ্রেই যাব (১৯৮৭), রজনীগন্ধা (১৯৮৮), নির্বাচিত কবিতা (১৯৯৬)
সৈয়দ শামসুল হক : বুনোবৃষ্টির গান (১৯৫৯), বৈশাখে রচিত পংক্তিমালা (১৯৬৯), একদা এক রাজ্যে (১৯৬১), বিরতিহীন উৎসব (১৯৬৯), প্রতিধ্বনিগণ (১৯৭৩), অপর পুররুষ (১৯৭৮), নিজস্ব বিষয় (১৯৮২), পরানের গহীন ভিতর (১৯৮০), রজ্জুপথে চলেছি (১৯৮৭), এক আশ্চর্য সঙ্গমের স্মৃতি (১৯৮৯), বেজান শহরের জন্য কোরাস (১৯৮৯), অগ্নি ও জলের কবিতা (১৯৮৯), কাননে কাননে তোমারই সন্ধানে (১৯৯০), আমি জন্মগ্রহণ করিনি (১৯৯০), তোরাপের ভাই (১৯৯০), শ্রেষ্ঠ কবিতা (১৯৯০), রাজনৈতিক কবিতা (১৯৯১), আমার শহর (১৯৯৫), নাভিমূলে ভস্মাধার (১৯৯৬), প্রেমের কবিতা (১৯৯৬), অস্তিত্ব দিনের পথিক (১৯৯৮), অধোগামী দিনের পঞ্জিকা (১৯৯৮), কবিতা সংগ্রহ (১৯৯৮)
সৈয়দ হায়দার : কোনো সুখবর নেই (১৯৮৩), ভুলগুলো নাড়া দেয় (১৯৮৫), ধ্বংসের কাছে আছি (১৯৮৬), ভাঙলে মাটির মতো (১৯৮৬), পাতা থেকে পাখি (১৯৯১), কাছে থেকে প্রবাসিনী (১৯৯২), উত্তরবঙ্গ (১৯৯৫), বয়স যখন দিচ্ছে তাড়া (১৯৯৫), অরিস্ট দু’জন দু’জনকে (১৯৯৬)
হাফিজ রশিদ খান : জোস্না কেমন ফুটেছে (১৯৮২), চোরাগুপ্তা ডুবোপাহাড় (১৯৮৮), লোহিত ম্যান্ডোলিন (১৯৯১), আদিবাসী কাব্য (১৯৯৭), স্বপ্নখন্ডের বেগম রোকেয়া রুকু (১৯৯৫), দস্যু রত্নাকর ও অন্যান্য কবিতা (২০০০), জুম পাহাড়ের ওম (২০০২), টোটেমের রাতে হত্যাকা- (২০০২), এই সুন্দর আমাঙ হারাবো না (২০০৬)
হাবীবুল্লাহ সিরাজী : দাও বৃক্ষ দাও দিন (১৯৭৫), মোমশিল্পের ক্ষয়ক্ষতি (১৯৭৭), মধ্যরাতে দুলে ওঠে গাস (১৯৮১), হাওয়া কলে জোড়া গাড়ি (১৯৮২), নোনা জলে বুনো সংসার (১৯৮৩), স্বপ্নহীনতার পক্ষে (১৯৮৪), আমার একজনই বন্ধু (১৯৮৭), পোশাকের বদলে পালা (১৯৮৮), কৃষ্ণ কৃপাণ ও অন্যান্য কবিতা (১৯৯০), সিংহদরজা (১৯৯০), বেদনার চল্লিশ আঙুল (১৯৯১) ম্লানম্রিয়মান নয় (১৯৯২)
হায়াৎ সাইফ : সন্ত্রাসে সহবাস (১৯৮৩), সব ফেলে দিয়ে (১৯৮৪), প্রধানত মাটি ও মানুষ (১৯৮৯), এপিঠ ওপিঠ (১৯৮৯), হায়াৎ সাইফের কবিতা (১৯৯৩), প্রেমের কবিতা (১৯৯৬)
হাসান হাফিজ : এখন যৌবন যার (১৯৮২), ভালোবাস, তার ভাষা (১৯৮৬), অবাধ্য অর্জুন (১৯৮৬), তুমি বধূ অবিবাহের (১৯৮৭), হয়তো কিছু হবে (১৯৮৭), হাসান হাবিবের প্রেমের কবিতা (১৯৯৪), দূরে পাহাড়ের ঘুম (১৯৯৫), সকল ডুবুরি নয় সমান সন্ধিৎসু (১৯৯৫), তৃষ্ণার তানপুরা (১৯৯৬), ভালোবাসার অগ্নিচুমুক (১৯৯৭), হৃদয় বড়ো কাঁদছে (১৯৯৭), না ওড়ে না পোড়ে প্রেম (১৯৯৭), যে মধুমদ তোমার ফুলে (১৯৯৮)
হাসান হাফিজুর রহমান : বিমুখ প্রান্তর (১৯৬৩), আর্ত শব্দাবলী (১৯৬৮), অন্তিম শরের মতো (১৯৬৮), যখন উদ্যত সঙ্গীন (১৩৭৯), বজ্রে চেরা আঁধার আমার (১৯৭৬), শোকার্ত তরবারী (১৯৮২), আমার ভেতরের বাঘ (১৯৮৩), ভবিতব্যের বাণিজ্য তরী (১৯৮৩), হাসান হাফিজুর রহমানের অপ্রকাশিত কবিতা (১৯৮৬)
হুমায়ুন আজাদ : অলৌকিক স্টীমার (১৯৭৩), জ্বলো চিতাবাঘ (১৯৮৫), সবকিছু নষ্টদের অধিকারে যাবে (১৯৮৭), যতোই গভীরে যাই মধু যতোই ওপরে যাই নীল (১৯৮৭), আমি বেঁচে ছিলাম অন্যদের সময়ে (১৯৯০), কাফনে মোড়া অশ্রুবিন্দু (১৯৯৮), পেরোনোর কিছু নেই (২০০৪)
হুমায়ুন কবির : কুসুমিত ইস্পাত (১৯৭২)
হেনরী স্বপন : কীর্তনখোলা (১৯৯৫), মাটির বুকেও রৌদ্রজ্বলে (১৯৯৫), বাল্যকাল ও মোমের শরীর আগুন (১৯৯৮), জংধরা ধূলি (২০০২), কাস্তে শানানো মোজার্ট
হেলাল হাফিজ : যে জলে আগুন জ্বলে (১৯৮৬)


দয়া করে পোস্টটি শেয়ার করুন...

© BengaliGrammar.Com
Maintenance by BengaliGrammar.Com