শনিবার, ১৯ অক্টোবর ২০১৯, ০৪:১১ অপরাহ্ন

হুমায়ূন আহমেদ

প্র : হুমায়ূন আহমেদ কবে, কোথায় জন্মগ্রহণ করেন?
উ : তৎকালনি ময়মনসিংহ জেরা, বর্তমানে নেত্রকোনার কুতুবপুরে ১৯৪৮ সালের ১৩ই নবেম্বর কৃষ্ণপক্ষের শনিবার রাত ১০-৩০ মিনিটে।
প্র : তাঁর মাতা-পিতার নাম কী?
উ : আয়েশা বেগম ও ফয়জুর রহমান।
প্র : তিনি মূরত কী হিসেবে পরিচিত?
উ : কথাসাহিত্যিক।
প্র : তিনি কোন বিষয়ের উপর পিএইচ.ডি ডিগ্রি লাভ করেন?
উ : পলিমার কেমিস্ট্রি।
প্র : তিনি কোথায় কর্মজীবন আরম্ভ করেন?
উ : ময়মনসিংহের বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভৌতরসায়নের প্রভাষক পদে কর্মজীবন আরম্ভ করেন। পরে যোগ দেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগে।
প্র : তাঁর লেখা প্রথম উপন্যাস কোনটি এবং এটি কত সালে প্রকাশিত হয?
উ : ‘নন্দিত নরকে’, ১৯৭২ সালে।
প্র : ‘নন্দিত নরকে’ ছাড়া তাঁর অপূর্ব সাহিত্যকর্ম কোনটি?
উ : ‘শঙ্খনীল কারাগার’।
প্র : হুমায়ূন আহমেদ-এর মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক ছায়াছবি কোনটি?
উ : ‘আগুনের পরশমণি’।
প্র : ‘আগুনের পরশমণি’ কয়টি শাখায় জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করে?
উ : আটটি শাখায়।
প্র : ‘আগুনের পরশমণি’ ছাড়া তাঁর উল্লেখযোগ্য ছায়াছবিগুলো কী?
উ : ‘শ্রাবণ মেঘের দিন’ ও ‘দুই দুয়ারী’।
প্র : লজিক ও এন্টি লজিক নিয়ে কাজ করা তাঁর দুটি চরিত্র কী?
উ : মিসির আলী ও হিমু।
প্র : তাঁর প্রকাশিত প্রধান গ্রন্থগুলো কী?
উ : নরি অপরাজিতা, প্রিয়তমেষু, জয়জয়ন্তী, দূরে কোথাও, এই সব দিনরাত্রি, ময়ূরাক্ষী মহাপুরুষ, নিশিকাব্য, সম্রাট, দুই দুয়ারী ইত্যাদি।
প্র : তাঁর শ্রেষ্ঠ উপন্যাস কোনগুলো?
উ : নন্দিত নরকে, শঙ্খনীল কারগার, আগুনের পরশমণি, জোছনা ও জননীর গল্প।
প্র : ‘আগুনের পরশমণি’ উপন্রাস সম্পর্কে লেখ।
উ : ‘আগুনের পরশমণি’তে ঢাকায় গেরিলা অপরাশেনের দুঃসাহসিক বর্ণনা, গেরিলাদের গোপন তৎপরতা, স্বাধীনতা সমর্থনকারী ও বিরোধিতাকারী কিছু চরিত্র উপস্থাপন করে ঐপন্যাসিক হুমায়ুন আহমেদ রচনা করলেন মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস। অপরিচিত গেরিলা মুক্তিযোদ্ধা বদিউল আলমকে আশ্রয় দেয় মতিন সাহেব নামে একজন ভদ্রলোক। এভাবেই উপন্যাসটির কাহিনি শুরু হয়েছে। বদিউলের সঙ্গে ওই ভদ্রলোকের কন্যার মানবিক দুর্বলতা প্রকাশিত যুদ্ধকালনি পরিবেশ।
প্র : ‘কে কথা কয়’ উপন্যাস সম্পর্কে লেখ।
উ : হুমায়ূন আহমেদের ‘কে কথা কয়’ উপন্যাসে মতিন ও কমল নামের চরিত্রকে কেন্দ্র করে একটি শিশুর আত্মনুসন্ধান ও সত্যান্বষণের প্রয়াস লক্ষ করা যায়। উপন্যাসে শিশু কমলের সার্বক্ষণিক সঙ্গী হিসেবে চাকরি পাওয়া মতিন কমলের সঙ্গে কাহিনিসূত্রে একটি বৃহৎবৃত্তে অধিভুক্ত হয়। উপন্যাসের শেষে কমল সত্যাম্বেষণে ব্যস্ত আর মতিন সত্যের জন্য প্রাণ দান করে।
প্র : তিনি কী কী পুরস্কার লাভ করেন?
উ : লেখক শিবির পুরস্কার (১৯৭৩), মাইকেল মধুসূদনস পদক (১৯৮৭), বাচসাস পুরস্কার (১৯৮৮), একুশে পদক (১৯৯৪), শেলটেক পুরস্কার (২০০৭)।


দয়া করে পোস্টটি শেয়ার করুন...

© BengaliGrammar.Com
Maintenance by BengaliGrammar.Com