বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:৫৯ পূর্বাহ্ন
আনো প্রত্যয়ান্ত শব্দের শেষে ে া-কার যুক্ত করা হবে। যেমন: করানো, বলানো, খাওয়ানো, পাঠানো, নামানো, বিস্তারিত...
বাংলায় বিদেশী শব্দের বানানে যুক্তবর্ণকে বিশ্লিষ্ট করার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। যুক্তবর্ণের সুবিধা হচ্ছে তা উচ্চারণের দ্বিধা দূর করে। তাই ব্যাপকভাবে বিদেশী শব্দের বানানে যুক্তবর্ণ বিশ্লিষ্ট করা অর্থাৎ ভেঙ্গে দেওয়া উচিত বিস্তারিত...
হস-চিহ্ন যথাসম্ভব বর্জন করা হবে। যেমন: কাত, মদ, চট, ফটফট, কলকল, ঝরঝর, তছনছ, জজ, টন, হুক, চেক, ডিশ, করলেন, বললেন, শখ, টাক, টক। তবে যদি ভুল উচ্চারণের আশঙ্কা থাকে তাহলে বিস্তারিত...
ঊর্ধ্ব-কমা যথাসম্ভব বর্জন করা হবে। যেমন: করল (= করিল), ধরত, বলে (= বলিয়া), হয়ে, দু জন, চার শ, চাল (= চাউল), আল (= বিস্তারিত...
যুক্ত-ব্যঞ্জনবর্ণগুলি যতদূর সম্ভব স্বচ্ছ করতে হবে অর্থাৎ পুরাতন রূপ বাদ দিয়ে এগুলির স্পষ্ট রূপ দিতে হবে। তার জন্য কতকগুলি স্বরচিহ্নকে বর্ণের নিচে বসাতে হবে। যেমন: গু, রু, শু, দ্রু, শ্রু, বিস্তারিত...